Connect with us

Facts

CAB কি? এই বিল ঘিরে কেনো বিক্ষোভ – জানুন বিস্তারিত

CAB কি? Citizenship Amendment Bill (নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল)। ভারতবর্ষে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল প্রথমে লোকসভায় তারপর রাজ্যসভায় পাস হয়েছে। এই বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পরে এটি একটি আইনে পরিণত হয়ে গেছে। ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আইন যেখানে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত বিনা অনুমতিতে বসবাসকারী ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু, শিখ, পার্সী, বৌদ্ধ, জৈন এবং খ্রিস্টান (নির্দিষ্ট ছয় জাতির) অভিবাসীদের জন্য “অবৈধ অভিবাসী সংজ্ঞা” সংশোধন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

Image result for CAB

এই আইনে নাগরিকত্ব পাওয়ার শর্ত ১২ বছর বসবাসের বদলে ৬ বছরে শিথিল করা হয়েছে এবং অভিবাসীরা অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করতে হবে। আর যারা প্রথম থেকেই ভারতবর্ষে রয়েছেন তারা আগেই ভারতীয় নাগরিত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

এই বিল অনুযায়ী সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষকে ভারতীয় হিসেবে হিসেবে গণ্য করা হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মুসলমানদের কেন শরণার্থী হিসেবে গণ্য করা হবে না? কারণ এখানে বলা হয়েছে আফগানিস্তান বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান দেশে যারা সংখ্যালঘু একমাত্র তাদেরই শরণার্থী হিসেবে গণ্য করা হবে। আর আমরা সবাই জানি পাকিস্তান বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের সমস্ত দেশের হিন্দুরা সংখ্যালঘু (কম জনসংখ্যা)। কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায়ের উল্লেখ করা হয়নি কারণ ওই সব দেশে মুসলিমরা সংখ্যাগুরু (বেশি জনসংখ্যা)

Related image

২০১৪ সালের ৩১ শে ডিসেম্বরের আগে যদি কেউ এই দেশে এসে থাকে একমাত্র সেইসব সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিত্ব দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, কোন শরণার্থী যদি এই সময়ের মধ্যে ভারতবর্ষে আসেন তাহলে তার যদি রেশন কার্ড নাও থাকে তাহলে তাদেরকেও ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, এটা তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন।

ভারতীয় সংবিধানের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং বেঙ্গল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রেগুলেশন (১৮৭৩) এর দ্বারা অসম, মেঘালয়, মিজোরাম এবং ত্রিপুরাকে এই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। এই বিলের পরেই তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কিন্তু বিরোধীরা। নেমেছে সেনা, বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

Image result for cab on West Bengal railway

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে রেলপথ অবরোধ, রেলপথে আগুন লাগানো, রেলওয়ে স্টেশন ভাঙচুর পর্যন্ত চলেছে এবং রাজ্যের কয়েকটি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হয়েছিল। Citizenship Amendment Bill টি ২০১৬ সালের জুলাই মাসে প্রথম সংসদে উত্থাপন করা হয়েছিল। ১১ই ডিসেম্বর ২০১৯ এ বিলটি ভারতের সংসদে গৃহীত হয়।

Continue Reading
Click to comment

Trending ..

To Top