স্বাস্থ্য

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলে যে খাবারগুলি এখনই ত্যাগ করা উচিত

কোষ্ঠকাঠিন্য আজকাল একটা সাধারন রোগে পরিণত হয়েছে। অনিয়মিত খাদ্যাভাসের কারণে এই রোগে ভুক্তভোগী বহু মানুষ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার বিষয়ে খাদ্যের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে দূর করে আবার তেমনই কিছু খাবার এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।

এবার জেনে নিন, কোষ্ঠকাঠিন্যের মত জটিল সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে যে খাবারগুলি:- 

313,315 BEST Women Toilet IMAGES, STOCK PHOTOS & VECTORS | Adobe Stock

১) কাঁচাকলা: আমরা সকলেই জানি কাঁচাকলা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণ উপকারী, কিন্তু যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যায় ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে একেবারেই উল্টো। কাঁচাকলা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে। তবে পাকা কলা খাওয়া যেতে পারে কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার।

২) মাংস: রেড মিট (খাসির মাংস বা যে সমস্ত মাংসে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে) — এই জাতীয় খাবার হজম হতে বহুক্ষণ সময় লাগে। তাই এই জাতীয় মাংস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে তুলনামূলকভাবে বাড়িয়ে তোলে।

Mutton Curry Cut - Kadalunavu

৩) দুধ: দুধ একটি সুষম খাদ্য হলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে। কেবল দুধ নয় দুগ্ধজাত খাবারগুলিও (পনির, আইসক্রিম) এড়িয়ে যাওয়া উচিত। আসলে এই ধরনের খাবারে ফাইবারের পরিমাণ খুবই কম থাকে। তবে টকদই হজমের ক্ষেত্রে ভীষণ উপকারী।

৪) তেলেভাজা: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন ফ্রাই, পটেটো চিপস, স্নাক্স জাতীয় খাবার বা ওই জাতীয় তেলে ভাজা খাবারগুলি অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।

৫) হিমায়িত খাবার: ফ্রিজের সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলি জল শুকিয়ে ফেলা হয় এবং এতে লবন এর আধিক্য অনেক বেশি থাকে। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যায়।

Study Says 61 Percent of Our Grocery Purchases Are Highly Processed Foods

আরও পড়ুনঃ কোষ্ঠকাঠিন্য ও অর্শে ভুগছেন? রেহাই পেতে মানতে হবে এই নিয়মগুলি

৬) বেকারি পণ্য: বেকারি পণ্য (বিস্কুট, পাউরুটি) জাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে কিন্তু ফাইবারে পরিমাণ খুবই কম। সুতরাং যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যায় ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে এই খাবারগুলি এড়িয়ে চলাই ভালো।

উপরের উল্লেখিত খাবারগুলি এড়িয়ে চললে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত।