Connect with us

খালি পায়ে কলেজ যাওয়া থেকে ইসরোর চেয়ারম্যান, অনুপ্রেরণা দেবে শিভানের গল্প

Facts

খালি পায়ে কলেজ যাওয়া থেকে ইসরোর চেয়ারম্যান, অনুপ্রেরণা দেবে শিভানের গল্প

বর্তমানে তিনি ইসরোর চেয়ারম্যান ভারতের মহাকাশ গবেষণা তার অসামান্য কৃতিত্ব রয়েছে। চন্দ্রযান অভিযান থেকে সূর্য অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছে। এই সবকিছুর সাফল্যের পিছনে রয়েছে তার বুদ্ধিদীপ্ত মস্তিষ্ক। রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক মহল দুই দিক থেকে চাপে পরেও এই অভিযানে ৯৫% সফল হয়েছেন। নিঃসন্দেহে আজ আমরা উনার জন্য গর্বিত। তার জীবনের কঠোর লড়াইটা শুরু হয়েছিল ছেলেবেলা থেকেই। তার বিদ্যালয় জীবন থেকে কলেজ জীবন পর্যন্ত অসীম দরিদ্রতা মধ্য দিয়ে জীবন কাটিয়েছে। কিন্তু হাজারো বাধা থাকতেও তিনি আজ ইসরোর চেয়ারম্যান যেভাবে হয়েছেন সেই গল্প নিঃসন্দেহে আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে।

ডঃ কৈলাসাভাদিভো শিভান জন্মগ্রহণ করেন ১৪ এপ্রিল, ১৯৫৭ সাল, তামিলনাড়ু এক কৃষক পরিবারে। শৈশব কাল থেকেই তার পরিবার আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে গেছে। পায়ে দেওয়ার মতো কোনো জুতো ছিল না। পড়ার ফাঁকে আম বাগানে কাজ করতে হতো। ছুটির দিনের সারাদিন খালি পায়ে আমবাগানে পাহাড় দিতেন এছাড়াও অন্যান্য খেতেও তাকে কাজ করতে হতো। কলেজে পড়ার দিনগুলিতেও তাকে খালি পায়ে হেঁটে যেতে হতো ধুতি পরে, ভালো পোশাক কিংবা জুতো কেনার সামর্থ ছিলনা। তিনি একবার এক সাংবাদিক কে জানিয়েছিলেন, “ছোটবেলায় আমার জীবন ছিল খুবই মজার। ছুটির দিনে বাবার আমের ব্যবসায় সাহায্য করতাম, কোন শ্রমিক রাখতে পারতেন না। আমি বাবাকে সাহায্য করতাম।”

কলেজ জীবন সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, “এখন সকলে কলেজ নিজের ইচ্ছামত বাছাই করে, কিন্তু আমার বেলায় এমন কিছু ছিল না, চেয়েছিলাম বাড়ির কোন কাছে কলেজ, যাতে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে বাড়ির কাজে লাগতে পারি। মাদ্রাসার টেকনোলজি কলেজে ভর্তি হওয়ার আগে পর্যন্ত খালি পায়ে হেঁটে গিয়েছি, এমনকি পড়ার জন্য ভাল পোষাক পর্যন্ত ছিল না, ধুতি পরেই কলেজে যেতাম। আমি চেয়েছিলাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়তে কিন্তু অনেক খরচ বলে বাবা পারেনি তখন কিন্তু আমি প্রতিবাদ করি এক সপ্তাহ না খেয়ে ছিলাম। কিন্তু তাতেও বাবা রাজি হননি। তারপরে বাবা নিজের জেদ থেকে সরে আসেন যখন আমি অংক নিয়ে বিএসসি পাস করি। এরপর বাবা বলেন যে আমি তোকে আর আটকে রাখবো না এবার জমি বিক্রি করেই তোকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াবো।”

আরও পড়ুনঃ কেঁদে ফেললেন ইসরো চেয়ারম্যান (ভিডিও)

কে শিভান বলেন, “ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর আমি বি টেক কোর্স কমপ্লিট করি তারপর বেশ কিছুদিন চাকরি নিয়ে ভুগতে হয়েছে। তাই আরো পড়াশোনা করি। আইআইএসসি তে ভর্তি হই। ইসরোর প্রধতেকে শিভান, আক্ষেপ করে বলেছেন যে, “জীবনে যা আমি চেয়েছি তা কখনই পাইনি। আমি চেয়েছিলাম উপগ্রহ কেন্দ্রে যোগদান করতে কিন্তু আমার পোস্টিং হয় বিক্রম সারাভাই সেন্টারে।”

Continue Reading
Click to comment

Trending ..

To Top